Previous
Next

সর্বশেষ

Friday, December 14, 2018

কম্পিউটার শেখা কেন প্রয়োজন ?

কম্পিউটার শেখা কেন প্রয়োজন ?

জীবিকা নির্বাহ করে বেঁচে থাকতে হলে, আজকের দিনে কম্পিউটার শিখতেই হবে। এই কথাটা আর নতুন করে বলবার কিছু নেই। শুধু যে কম্পিউটার সংক্রান্ত কাজ করতে হলেই কম্পিউটার ব্যবহার প্রয়োজন, তা নয়। যে কাজ কম্পিউটার-নির্ভর নয়, সেখানেও কম্পিউটার জানা একটা অতিরিক্ত যোগ্যতা বলে বিবেচিত হয়। এক জন কর্মীর যদি কি-বোর্ড কী করে চালাতে হয় জানা না থাকে তা হলে সামান্য ই-মেল চেক করা বা তার জবাব দেওয়াই ঝকমারির পর্যায়ে চলে যায়। কম্পিউটারের ব্যবহার এক জন কর্মীর উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ। আসলে কম্পিউটার শিক্ষা হল এটা একটা প্ল্যাটফর্ম, জীবন গড়ে নেওয়ার জন্য যে ট্রেনেই তুমি উঠতে চাও না কেন, এই প্ল্যাটফর্মে তোমায় পৌঁছতেই হবে।

ইংরেজি ও কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব

ইংরেজি ও কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব

বর্তমানে বিদেশ ভ্রমণে কথোপকথনের অন্যতম মাধ্যম ইংরেজি ভাষা। এটি আন্তর্জাতিক ভাষা। আর কম্পিউটারকে বলা হয় আধুনিক সভ্যতার চাবিকাঠি। এর ভাষাও ইংরেজি। এ জন্য ইংরেজি ও কম্পিউটারের মধ্যে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। চাকরির বাজারেও রয়েছে এ দুটোর ব্যাপক চহিদা। সুতরাং ইংরেজি ও কম্পিউটার শিক্ষায় রয়েছে আপনার ক্যারিয়ারে সফলতার উজ্জ্বল হাতছানি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন আহমাদ মুন্না
কী শিখবেনইংরেজি বিভাগে প্রধান আলোচ্য বিষয় ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য। তবে বিদেশে ভাষার চাহিদা বেশি। আর কম্পিউটারে রয়েছে শেখার একাদিক বিষয় যেমন, এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, সিমুলেশন ও এনিমেশনসহ শেখার আছে অনেক কিছু।কোথায় শিখবেনইংরেজি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অনার্স হিসেবে পড়ানো হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা ইন্সটিটিউট, বিট্রিশ কাউন্সিলসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ও কোচিং সেন্টারে ইংরেজি ভাষার ওপর ১ বছর, ৬ মাস ও ৩ মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। আর কম্পিউটারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রায় সবকয়টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সবকয়টি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের প্রায় অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়টি কম্পিউটার সাইন্স অথবা কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলোজি হিসেবে পড়ানো হয়। আর এসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনার্স কোর্সের মেয়াদ চার বছর। দেশের বাইরে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এটি পড়ানো হয়। এছাড়া আমাদের দেশে একাদিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কম্পিউটারের ওপর সল্প মেয়াদি (৬ মাস ও ৩ মাস) প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। যেমন- সরকারি যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।চাহিদাইংরেজি একটি আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য। আন্তর্জাতিক ভাষা হওয়ার কারণে এর ব্যাপক চাহিদা আছে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে। বলা চলে চাকরির ক্ষেত্রে ইংরেজি জানার কোনো বিকল্প নেই। বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, দূতাবাস ও বিদেশে চাকরি নেয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি একটি অপরিহার্য ভাষা। বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এছাড়া কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহারের জন্য আপনাকে অবাশ্যই ইংরেজিতে ভালো দক্ষ হতে হবে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে কম্পিউটারের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে ।এমন কোনো কর্পোরেট হাউস নেই যেখনে কম্পিউটার ম্যানের প্রয়োজন নেই।চাকরির সুবিধাদেশের প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং দেশী ও বিদেশী ব্যাংকে উচ্চ বেতনে চাকরির সুব্যবস্থা আছে। বিসিএস-এর বিভিন্ন ক্যাডারেও ভালো ইংরেজি জানা শিক্ষার্থীদের রয়েছে যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা। আর কম্পিউটার জানা লোকদের তো রয়েছে বহুমুখী কাজের অফুরন্ত সুযোগ। এই সেক্টরে দুই ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে। একটি সরকারি অন্যটি বেসরকারি। সরকারি খাতগুলো বিশেষ করে পরমাণু শক্তি কমিশন, ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম, ই-গর্ভরনেন্স, স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশন, রেল যোগাযোগ, বিটিসিএল, তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, একাদিক মোবাইল কোম্পানি, টেলিভিশনের নেটওয়ার্কিং সেক্টর, বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠান, অনলাইন মিডিয়াতে নিউজ পোস্ট, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ডেক্সটপ পাবলিশিংয়ে বিভিন্ন বই লেখা, ছাপানো, সফটওয়ার ফার্ম, বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের আইটি সেক্টরসহ অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে আপনি চাকরির সুযোগ পেতে পারেন।আয়-রোজগারবর্তমানে কম্পিউটার খাত একটি শিল্প। এ শিল্প বিকাশে প্রতিষ্ঠানগুলো মেধাবী ও দক্ষদের নিয়োগ দিয়ে আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করে থাকে। এখানে আপনি স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে শুরুতেই মাসে প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা, প্রতিষ্ঠান ভেদে এর পরিমাণ ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকাও হতে পারে। আর পরে মাসে ১ লাখ থেকে ৪/৫ লাখ টাকাও আয় করা সম্ভব। এছাড়া পার্টটাইমে কাজ করে আপনি মাসে অন্তত দশ হাজারের মতো টাকা আয় করতে পারবেন। সবকিছু মিলে এখানে রয়েছে পদোন্নতির পাশাপাশি বেতন বৃদ্ধির সুবর্ণ সুযোগ।সফলতা পেতে হলেসব পেশাতেই সফল হতে অতিরিক্ত কিছু গুণ থাকা চাই। আপনাকে হতে হবে উদ্যমী, সাহসী ও কঠোর পরিশ্রমী। আমাদের দেশে চাকরির চেয়ে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি। এ জন্য ভালো মানের আকর্ষণীয় বেতনের একটি চাকরির জন্য আপনি ফেসবুকে বিভিন্ন পত্রিকার জব লিংকের সঙ্গে আ্যড হতে পারেন। আর এক্ষেত্রে যুগান্তরের ‘চাকরির খোঁজ’ পেইজটি হতে পারে একান্ত সহযাত্রী। বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই অনলাইনে তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকে।বিশেষজ্ঞের অভিমতদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইলেক্ট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক ডিন ও আইএসটির বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর শাহিদা রফিক বলেন, কম্পিউটারকে বলা হয় কী অফ সিভিলাইজেশন, মানে কম্পিউটার হল সভ্যতার চাবিকাঠি। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আপনি কম্পিউটার ছাড়া কিছুই কল্পনা করতে পারবেন না। কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেক কঠিন কাজকে অতি সহজে করতে পারছি। যে জাতি যোগাযোগ ব্যবস্থা তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে সে জাতি তত উন্নত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে কম্পিউটার শিক্ষা আজ মৌলিক অধিকারে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলো যেমন মালোয়েশিয়া তাদের জাতীয় বাজাটের সিংহভাগ বরাদ্দ করে এই খাতে। এজন্য আমাদের সরকারের উচিত জাতীয় বাজেটের সিংহভাগ কম্পিউটার শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা। তাহলে আমাদের দেশ আরও উন্নতির দিকে অগ্রসর হবে।
চাকরির জন্য দরকারি কম্পিউটার দক্ষতা

চাকরির জন্য দরকারি কম্পিউটার দক্ষতা

বর্তমান বিশ্ব এমনিতেই এখন ভার্চুয়াল কাজের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তাই কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান থাকাটা এখন সকলের জন্য আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এটা না থাকলে এখন ভালো ভালো ডিগ্রি নিয়েও চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। বেশিরভাগ অফিসের কাজেই এখন প্রচলিত খাতা-কলমের বদলে কম্পিউটারের ব্যবহার অনেক বেশি। অটোমেশনের এই যুগে এসে তাই কম্পিউটারের ‘অ আ ক খ’ না জানলে চাকরি পেলেও তাতে কতদিন টিকে থাকতে পারবেন, তা বলা মুশকিল। সব ধরনের চাকরির ক্ষেত্রেই এখন এই কথা প্রযোজ্য। আজকের মূল ফিচারে সাধারণভাবে সব ধরনের চাকরিতে কী ধরনের কম্পিউটার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, তা তুলে ধরেছেন অর্ক হাসান

বর্তমান সময়ে আপনি এমন চাকরি বিজ্ঞপ্তি খুব কমই দেখবেন যেখানে কম্পিউটারের মৌলিক অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় না। ফলে কম্পিউটারে যাদের সাধারণ এসব দক্ষতা নেই, তারা অনেক চাকরিতেই আবেদন করতে পারেন না। অনেক কেন, এখন আসলে কম্পিউটারের মৌলিক কাজগুলো না জানলে বেশিরভাগ চাকরিতেই আবেদন করার যোগ্যতা থাকে না। এই বিষয়টিকে তাই এখন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন সব চাকরিপ্রার্থীরই।

চাকরির আবেদন করা শুধু নয়, যারা এখন চাকরিতে রয়েছেন তাদের জন্যও কম্পিউটারের এসব মৌলিক বিষয় জানা খুব দরকার। কেননা কম্পিউটারে মৌলিক দক্ষতা আপনার অফিসের কাজ অনেক সহজ করে দেয়। অটোমেশনের এই যুগে সব অফিসেই এখন চিরাচরিত খাতা-পত্রের বদলে কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের চর্চা শুরু হয়েছে। আপনি এসব কাজে পারদর্শী না হলে চাকরিদাতা নিশ্চয়ই আপনার বদলে অন্য কাউকে খুঁজে নিতেই আগ্রহী হবেন। আবার আপনি যদি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের কাজে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে আবার প্রতিষ্ঠান আপনার ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। আপনার কলিগরা তখন একটু বিশেষ সমাদর দিতেই পারে আপনাকে। ম্যানেজমেন্টের সুনজরে পড়াটাও তখন সহজ হয়ে যাবে।

কিন্তু আপনি কম্পিউটার বিষয়ে খুব বেশি স্বচ্ছন্দ্য না হলে কম্পিউটারের এসব কাজ কেমন করে শিখবেন, সেটা আপনার দ্বারা কতটুকু সম্ভব, সেসব বিষয়ে নিশ্চয়ই দ্বিধা কাজ করতে পারে। এসব ভাবনা দূর করুন। কেননা শুরু না করতে পারলে আসলে কোনোকিছুই সম্ভব নয়। তাই আজ থেকেই বসে পড়ুন বেসিক কম্পিউটার শেখায়। যেকোনো অফিসে কাজ করতে কম্পিউটারের খুব বেশি কাজ আপনাকে জানতে হবে না। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল পাঠানো এবং ডাউনলোড করা—এগুলোই প্রাথমিকভাবে আপনাকে অনেকটাই যোগ্য করে তুলবে চাকরির জন্য। এখন জেনে নিন এসব প্রোগ্রামের কোনটা কোন কাজে লাগে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড

বর্তমানে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ব্যবহার হয় না। সামান্য একটি আবেদনপত্র লেখা থেকে শুরু করে লেখালেখির সব কাজই সম্পন্ন করা হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে। ওয়ার্ড প্রসেসিং এই প্রোগ্রামে অফিসের প্রায় সব ধরনের ডক্যুমেন্ট আপনি তৈরি করতে পারবেন। কোনো লেখাকে ফরম্যাট করা, লেখার মধ্যে টেবিল তৈরি করা, বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করে লেখাকে সুন্দর করে তোলা, লেখার মধ্যে ডিজাইন করা—এমন সব কাজই আপনি সহজে করতে পারবেন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে।

মাইক্রোসফট এক্সেল

অফিসের কাজের এক্সেলও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি সফটওয়্যার। বিভিন্ন ধরনের ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল অপরিহার্য। সাধারণ হিসাব-নিকাশ থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্টসের অনেক কাজের জন্যও নির্ভর করতে পারেন এক্সেলের ওপর। প্রতিষ্ঠানের বাত্সরিক রিপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে স্যালারি শিট, প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখার মতো কাজগুলোও এক্সেলে সহজে করা যায়। বিভিন্ন ডাটা সহজে বুঝার জন্য এক্সেল থেকে নানা ধরনের চার্ট বা ডায়াগ্রামও তৈরি করার সুযোগ রয়েছে। ফলে বলতে গেলে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হাতিয়ার।

মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট

সব অফিসে বললে ভুল হবে, তবে অধিকাংশ অফিসের কাজেই এই সফটওয়্যারের ব্যবহার রয়েছে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে মূলত যেকোনো ধরনের প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হয়। ধরুন, আপনি আপনার বসকে নতুন একটি প্রজেক্ট আইডিয়া দেখাতে চান। সেটার জন্য পাওয়ার পয়েন্ট হতে পারে আদর্শ একটি প্ল্যাটফর্ম। পাওয়ার পয়েন্টে আপনার আইডিয়াগুলোকে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন, ছবি, চার্ট, ডায়াগ্রাম ও টেক্সটের মাধ্যমে হাজির করতে পারবেন দৃষ্টিনন্দন উপায়ে। আপনার শৈল্পিক মনের একটি ডিজিটাল প্রতিচ্ছবিও হয়ে উঠতে পারে পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড। কোনো প্রজেক্টের প্রতিটি বিষয়ের জন্য এতে আপনি তৈরি করতে পারবেন আলাদা আলাদা স্লাইড। এই স্লাইডগুলো সঠিকভাবে ডিজাইন করতে পারলে আপনার প্রজেক্ট কাউকে বুঝানো আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। এখন পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে অডিও এবং ভিডিও যুক্ত করার সুবিধাও রয়েছে। তাই নানা ধরনের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট দিয়ে ডিজাইন করুন চমত্কার সব স্লাইড। আর স্লাইড শো দিয়ে মুগ্ধ করুন সকলকে।

ইন্টারনেট ব্রাউজিং

ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছাড়া প্রযুক্তি-নির্ভর এই বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলা মুশকিল। তরুণরা অবশ্য স্মার্টফোনের কল্যাণে চলতি পথেও ইন্টারনেটের সাথে সার্বক্ষণিক যুক্ত থাকে। ইন্টারনেট আসলে তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার। প্রয়োজন কেবল এখান থেকে সঠিকভাবে সঠিক তথ্যটি খুঁজে বের করা। আপনার অফিসের দৈনন্দিন কাজের জন্যও ইন্টারনেট তাই প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারে। নতুন নতুন আইডিয়ার জন্যও ইন্টারনেট হতে পারে আপনার সহায়। তাই ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে পারঙ্গমতা এখন অপরিহার্য একটি যোগ্যতা।

ইমেইল

এখনকার যোগাযোগের জন্য আর চিঠিপত্রের চল নেই। এর জায়াগায় স্থান করে নিয়েছে ইমেইল। অফিসের মধ্যে তো বটেই, অফিসের বাইরেও যে কারো সাথে যোগাযোগের জন্য এখনকার সময়ের স্মার্ট পদ্ধতি হলো ইমেইল। তাত্ক্ষণিকভাবে ইমেইল আপনার বার্তাটি পাঠিয়ে দিবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। অফিসের নোটিশও এখন আধুনিক অফিসে ইমেইলের মাধ্যমে সার্কুলেট করা হয়ে থাকে। ইয়াহু মেইল, জিমেইলের মতো ফ্রি ইমেইল সেবাতে তাই আপনার অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত। আর অফিসের নিজস্ব ডোমেইনে ইমেইলও প্রদান করা হয় অনেক জায়গায়। ইমেইল ব্যবহারে তাই স্বচ্ছন্দ্য হয়ে উঠতে হবে।

শিখবেন কোথায়

যদি খোঁজ নিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন যে আপনারই আশপাশে অসংখ্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আপনার কোনো বন্ধুও হয়তো বিষয়গুলোতে অত্যন্ত দক্ষ। তার শরণাপন্নও হতে পারেন। এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে অবশ্য খুব বেশি টাকাও খরচ হয় না। এগুলোর প্রতিটি বিষয়ে অবশ্য বইও পাওয়া যায় বাজারে। সেগুলো থেকে নিজে নিজেও শিখে নিতে পারেন। আর ইন্টারনেটে একটু স্বচ্ছন্দ্য হলে ইউটিউব, খান একাডেমির মতো সাইটে এসব শেখার জন্য পাবেন প্রচুর টিউটোরিয়াল।
কম্পিউটার প্রশিক্ষন কোর্সে ভর্তি চলছে

কম্পিউটার প্রশিক্ষন কোর্সে ভর্তি চলছে

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!!
যেখানে সেখানে গজিয়ে উঠা প্রাইভেট কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্রের পিছনে না দৌড়ে সরাসরি ভর্তির জন্য চলে আসুন সরকার অনুমোদিত একটি যোগপযোগী কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র-এফ.এম কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্রে। মনে রাখবেন পথ অনেক কিন্তু সাবধানতাই সুপথের সন্ধান দেয় এখন সিদ্ধান্ত আপনার……।
বিজ্ঞপ্তিঃ সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, কম্পিউটার-এর বিভিন্ন কোর্সের উপর জানুয়ারী-মার্চ তিন মাস মেয়াদী ও জানুয়ারী- জুন ছয় মাস মেয়াদী কম্পিউটার প্রশিক্ষন কোর্সে ভর্তি চলছে।
বিঃদ্রঃ গরীব অসহায় দুঃস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষন সাথে মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে।
আমাদের কোর্স সমূহঃ
 অফিস এ্যাপ্লিকেশন (এম.এস ওয়ার্ড, এক্সল,পাওয়ারপয়েন্ট,ইন্টারনেট এন্ড ইমেইল, বাংলা এবং ইংলিশ টাইপিং)
 প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন
 অটোক্যাড ২ডি+৩ডি
 ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট
 ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং।
আমাদের লক্ষঃ প্রচারে নয় ব্যবসায়িক দৃষ্টি ভঙ্গি নয়, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ।
আমাদের বৈশিষ্ঠঃ
দক্ষ প্রশিক্ষক দ্বারা শীট ভিত্তিক কম্পিউটার প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।
চাকুরীজীবিদের জন্য সান্ধকালীন ব্যাচের ব্যবস্থা আছে।
মহিলাদের জন্য আলাদা ব্যাচের সু-ব্যবস্থা আছে।
আমাদের স্লোগানঃ মেধা বিকাশে গুনগত মানের শিক্ষা অপরিহার্য
আমাদের মটোঃ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কম্পিউটার শিক্ষার কোন বিকল্প নাই।
যোগাযোগের ঠিকানা :- ওসমান মার্কেট ২য় তলা, জনতা ব্যাংকের পূর্ব পার্শের ২য় গলি, মৌচাক বাজার, কালিয়াকৈর, গাজীপুর। মোবাইল 01711003755, 01511003755
ইমেইল:- fmcomputerit@gmail.com
কোথাও ভর্তি হবার পূর্বে অবশ্যই এফ.এম কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র ভিজিট করুন।
মিথ্যা প্রলোভনের স্বীকার হবেন না (ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না)দক্ষ জনশক্তি দেশের সম্পদ, দক্ষতা নিজের সম্পদ।আর তাই এবার শিখব কম্পিউটার, থাকবো নার বেকার। টাকা দিয়ে চাকরী নয়, কম্পিউটার শিখে কর্মসংস্থান হয়।

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!!

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!!

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!!
যেখানে সেখানে গজিয়ে উঠা প্রাইভেট কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্রের পিছনে না দৌড়ে সরাসরি ভর্তির জন্য চলে আসুন সরকার অনুমোদিত একটি যোগপযোগী কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র-এফ.এম কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্রে। মনে রাখবেন পথ অনেক কিন্তু সাবধানতাই সুপথের সন্ধান দেয় এখন সিদ্ধান্ত আপনার……।
বিজ্ঞপ্তিঃ সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, কম্পিউটার-এর বিভিন্ন কোর্সের উপর জানুয়ারী-মার্চ তিন মাস মেয়াদী ও জানুয়ারী- জুন ছয় মাস মেয়াদী কম্পিউটার প্রশিক্ষন কোর্সে ভর্তি চলছে।
বিঃদ্রঃ গরীব অসহায় দুঃস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষন সাথে মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে।
আমাদের কোর্স সমূহঃ
 অফিস এ্যাপ্লিকেশন (এম.এস ওয়ার্ড, এক্সল,পাওয়ারপয়েন্ট,ইন্টারনেট এন্ড ইমেইল, বাংলা এবং ইংলিশ টাইপিং)
 প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন
 অটোক্যাড ২ডি+৩ডি
 ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট
 ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং।
আমাদের লক্ষঃ প্রচারে নয় ব্যবসায়িক দৃষ্টি ভঙ্গি নয়, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ।
আমাদের বৈশিষ্ঠঃ
দক্ষ প্রশিক্ষক দ্বারা শীট ভিত্তিক কম্পিউটার প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।
চাকুরীজীবিদের জন্য সান্ধকালীন ব্যাচের ব্যবস্থা আছে।
মহিলাদের জন্য আলাদা ব্যাচের সু-ব্যবস্থা আছে।
আমাদের স্লোগানঃ মেধা বিকাশে গুনগত মানের শিক্ষা অপরিহার্য
আমাদের মটোঃ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কম্পিউটার শিক্ষার কোন বিকল্প নাই।
যোগাযোগের ঠিকানা :- ওসমান মার্কেট ২য় তলা, জনতা ব্যাংকের পূর্ব পার্শের ২য় গলি, মৌচাক বাজার, কালিয়াকৈর, গাজীপুর। মোবাইল 01711003755, 01511003755
ইমেইল:- fmcomputerit@gmail.com
কোথাও ভর্তি হবার পূর্বে অবশ্যই এফ.এম কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র ভিজিট করুন।
মিথ্যা প্রলোভনের স্বীকার হবেন না (ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না)দক্ষ জনশক্তি দেশের সম্পদ, দক্ষতা নিজের সম্পদ।আর তাই এবার শিখব কম্পিউটার, থাকবো নার বেকার। টাকা দিয়ে চাকরী নয়, কম্পিউটার শিখে কর্মসংস্থান হয়।









Thursday, December 13, 2018

ইন্দিয়ার ভিসা জন্য আবেদন করতে আপনার যা যা লাগবে?

ইন্দিয়ার ভিসা জন্য আবেদন করতে আপনার যা যা লাগবে?

ইন্দিয়ার ভিসা জন্য আবেদন করতে আপনার যা যা লাগবে?
১. অরিজিনাল পাসপোর্ট, পাসপোর্টে অন্তত ৬ মাসের মেয়াদ ও ভিসার জন্য অন্তত দুইটি পাতা খালি থাকতে হবে। সাথে পাসপোর্টের প্রথম ৪পৃষ্ঠা ও ডলার ইন্ডোর্সমেন্টের পাতার ফটোকপি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে সেটা সঙ্গে
২. একটি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ রঙ্গিন ছবি।
৩. জাতীয় পরিচয় পত্র ও ইউটিলিটি বিল (যেমনঃ ইলেক্ট্রিসিটি বিল, ফোন, গ্যাস বা পানির বিল)-এর ফটোকপি।
৪. চাকরীর ক্ষেত্রে অফিসের ছাড়পত্র, ব্যবসার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স ও শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বারা প্রদত্ত্ব পরিচয় পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।
৫. ব্যাংক থেকে $150 এন্ডোর্সমেন্ট এর সার্টিফিকেট বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের ফটোকপি বা কমপক্ষে ১০,০০০ টাকা জমাকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
৬. রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ও এপয়েন্টমেন্ট ডেট সহ অনলাইন ভিসা আবেদন পত্রের প্রিন্ট কপি।

ইন্দিয়ার ভিসা জন্য আবেদন করতে আপনার যা যা লাগবে?

ইন্দিয়ার ভিসা জন্য আবেদন করতে আপনার যা যা লাগবে?


১. অরিজিনাল পাসপোর্ট, পাসপোর্টে অন্তত ৬ মাসের মেয়াদ ও ভিসার জন্য অন্তত দুইটি পাতা খালি থাকতে হবে। সাথে পাসপোর্টের প্রথম ৪পৃষ্ঠা ও ডলার ইন্ডোর্সমেন্টের পাতার ফটোকপি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে সেটা সঙ্গে

২. একটি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ রঙ্গিন ছবি।

৩. জাতীয় পরিচয় পত্র ও ইউটিলিটি বিল (যেমনঃ ইলেক্ট্রিসিটি বিল, ফোন, গ্যাস বা পানির বিল)-এর ফটোকপি।

৪. চাকরীর ক্ষেত্রে অফিসের ছাড়পত্র, ব্যবসার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স ও শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বারা প্রদত্ত্ব পরিচয় পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।

৫. ব্যাংক থেকে $150 এন্ডোর্সমেন্ট এর সার্টিফিকেট বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের ফটোকপি বা কমপক্ষে ১০,০০০ টাকা জমাকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

৬. রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ও এপয়েন্টমেন্ট ডেট সহ অনলাইন ভিসা আবেদন পত্রের প্রিন্ট কপি।



বাংলাদেশীদের জন্য ইন্ডিয়ান ভিসা ফি

বাংলাদেশীদের জন্য ইন্ডিয়ান ভিসা ফি

বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা ফি
বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতেকোন ভিসা ফি নেই।
- অন্যান্য বিদেশী নাগরিককে ভিসা ফি প্রদান করতে হবে, যদি না তারা ভারত সরকারের আদেশের
অধীনে ভিসা ফি প্রদান থেকে রেয়াত পায়।
- বাংলাদেশের যেকোন আইভ্যাকে ভিসার জন্য আবেদনকারী যেকোন ব্যক্তিকে নি¤ড়বলিখিত হারে ভিসা
প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) প্রদান করতে হবে।

গ্রাটিস/ ফ্রি ভিসা: বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, আর্জেন্টিনা, জ্যামাইকা, মালদ্বীপ, ডিপিআর কোরিয়া, মরিশাস,
দক্ষিণ আফ্রিকা এবং উরুগুয়ের নাগরিকদের উপর ফ্রি ভিসা জারি করা হবে। সীমাবদ্ধ/ সুরক্ষিত এলাকার
পারমিটের জন্য (্পিএপি/ আরএপি) এই দেশগুলোর নাগরিকদের কাছ থেকে কোন ফি ধার্য্য করা হবে না।
বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনের সংশোধিত ভিসা প্রসেসিং ফি ১লা জানুয়ারী, ২০১৫ থেকে প্রযোজ্য
হয়েছে। সংশোধিত ফি নিচে দেয়া হল:
৫ আগস্ট ২০১৮ থেকে ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফি ৮০০ টাকা নির্ধারিত হবে। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ থেকে এই প্রথম ভিসা ফি পরিবর্তন হল। গত চার বছর ধরে মুদ্রাস্ফীতি এবং বর্ধিত ব্যয়ভার বহনে এই ফি পরিবর্তন হচ্ছে।

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্ আবেদনপত্র প্রতি ভিসা প্রসেসিং ফি (টাকায়)
আইভিএসি, ঢাকা ( জেএফপি ) ৮০০
ময়মনসিংহ  ৮০০
বরিশাল  ৮০০
যশোর ৮০০
খুলনা  ৮০০
সিলেট  ৮০০
রাজশাহী  ৮০০
রংপুর  ৮০০
চট্টগ্রাম  ৮০০

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য প্রস্তুতি

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য প্রস্তুতি

বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে ৯টি ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র কেন্দ্র (আইভ্যাক) আছে। সেগুলো ঢাকা (যমুনা  ফিউচার  পার্ক ), যশোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর এ অবস্থিত।
  • ট্যুরিস্ট (টি) ভিসা ব্যতীত সব ধরণের ভারতীয় ভিসা ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ ছাড়া গ্রহণ করা হয়।
  • বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী যারা চট্টগ্রাম বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ এবং সিলেট মহকুমা (হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ এবং সিলেট) ব্যতীত অন্যান্য বিভাগ বসবাস করছে, তারা আইভ্যাক, ঢাকা (যমুনা  ফিউচার  পার্ক ), আইভ্যাক, খুলনা/ আইভ্যাক, ময়মনসিংহ / আইভ্যাক, যশোর / আইভ্যাক, বরিশাল / আইভ্যাক, সিলেট- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। যেসব পাসপোর্টধারী চট্টগ্রাম বিভাগ এর বাসিন্দা, তারা আইভ্যাক, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। বাংলাদেশী নাগরিক, যারা রাজশাহী বিভাগে বাস করছে, তারা আইভ্যাক, রাজশাহী/ আইভ্যাক, রংপুর- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।
  • অন্যান্য বিদেশী নাগরিকরা আইভ্যাক, ঢাকা (যমুনা  ফিউচার  পার্ক )  এবং সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।
  • ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদেও কোন ভিসা ফি প্রয়োজন নেই।
  • অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের ভিসা ফি দেয়া প্রয়োজন যদি না তারা ভারত সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী ভিসা ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে অব্যাহতি পায়।
  • বাংলাদেশের যেকোন আইভ্যাক এ ভিসার জন্য আবেদনকারী সকল ব্যক্তিবর্গেও ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) পরিশোধ করতে হবে।
আপনার ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান হতে পারে যদি আপনি 
  • জীবনের জন্য হুমকীসরূপ কোন রোগে ভোগেন। 
  • মানসিক রোগে ভোগেন এবং চিকিৎসা ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করেন।
  • নিজে মাদকাসক্ত বা মাদক পাচার করেন। ক্স অপরাধী বা কোন দেশে অনিষ্পনড়ব কোন অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন। ক্স কোন দেশ হতে দ্বীপান্তুরিত বা বহিষ্কৃত হয়ে থাকেন। ক্স অপর্যাপ্ত/ অসম্পূর্ণ/ মিথ্যা কাগজপত্র দিয়ে থাকেন।
  • অবৈধ ভ্রমণ নথির অধিকারী হয়ে থাকেন।
  • প্রাসঙ্গিক কোন তথ্য গোপন করে থাকেন।
  • অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে এমন কোন ভিত্তিতে, যা আবেদনকারীকে ভিসার জন্য অযোগ্য হিসাবে পেশ করবে, যা আবেদনকারীর কাছে মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করে জানানো হবে, এমন কোন কথা নেই।
ভারতে প্রবেশের শর্ত:-
  • বৈধ ভিসা থাকার পরেও ভারতে আপনার প্রবেশ রধ হয়ে যেতে পারে যদি মিথ্য বিবরণের মাধ্যমে ভিসা অর্জন করা হয় অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় গোপন করা হয়, আপনি সে বিষয়গুলোতে অবগত থাকেন বা না থাকেন। ক্স আপনার আবেদনের দিন ও ভারতে প্রবেশের দিনের মধ্যে পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন ঘটলে।  
  • একজন ইমিগ্রেশন অফিসার ভারতে আগমনের সাথে সাথে যে কাওকে মেডিকেল পরীক্ষা করাতে পারে, যদি সে প্রয়োজন বলে বিবেচনা করে।  
  • আপনি অবশ্যই ভারতে কোন চাকরির বা আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা/ গবেষণার দায়িত্ব নিতে পারবেন না যদি না কর্মসংস্থান ভিসা বা যথাযথ ভিসা আপনাকে মঞ্জুর করা হয়।
  • অবস্থানের বৈধ মেয়াদ শেষ হওয়ার মধ্যেই আপনাকে অবশ্যই ভারত ত্যাগ করতে হবে যদি না ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা আপনার অবস্থানের মেয়াদ সম্প্রসারণ করা যায়।
  • আপনাকে অবশ্যই নিকটবর্তী বিদেশীদের আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিস (এফআরআরও)-তে নাম নিবন্ধন করতে হবে, যদি মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা ব্যতীত বাকী সব ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে ভারতে আপনার অবস্থান ছয় মাস মেয়াদ অতিম করে। মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে, ভারতে আগমনের ১৪ দিনের মধ্যে নিকটবর্তী এফআরআরও)-তে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।  অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে এমন কোন ভিত্তিতে, যা আবেদনকারীকে ভিসার জন্য অযোগ্য হিসাবে পেশ করবে, যা আবেদনকারীর কাছে মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করে জানানো হবে, এমন কোন কথা নেই। কূটনৈতিক/ অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জারিকৃত কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী / অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীগণ এর ভারতে ভ্রমণ করা এবং ৪৫ দিন পর্যন্ত অবস্থান করতে কোন ভিসা প্রয়োজন হয়না। নি¤ড়বলিখিত শেণীর আবেদনকারীরা অনলাইনে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে এবং তাদের অনলাইন ভিসার আবেদন ব্যক্তিগতভাবে বা কোন বৈধ প্রতিনিধির মাধ্যমে ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা-তে কার্যদিবসগুলোতে ১০০০ ঘটিকা থেকে ১৩০০ ঘটিকার মধ্যে জমা দিতে পারে। এই আবেদনকারীদের অবশ্যই অনলাইনে একটি সাক্ষাতের দিন ধার্য্য করতে হবে এবং এ ধরণের আবেদনগুলি, যদি হাই কমিশনে আবেদন দাখিল করার তারিখ থেকে আরও পরেও সাক্ষাতের তারিখ পড়ে, তারপরেও গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
পাসপোর্ট বিতরণ: - পাসপোর্ট বিতরণের জন্য প্রাপ্তির তারিখের পরে বা পরে প্রাপ্তির তারিখ সংগ্রহ করা যেতে পারে। প্রাপ্তি হারানোর ক্ষেত্রে, আবেদনকারীকে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডেইরি করতে হবে। জেনারেল ডেইরি (জিডি) আসল কপি,একটি আবেদন পত্র ও একটি ছবি কাউন্টারে জমা দেওয়ার পর পাসপোর্টটি  বিতরণ করা হবে।
(১) সরকারী কাজের উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর আমলাদের ভারত ভ্রমণ- তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে।
(২) ভিনড়ব দেশের কূটনৈতিক/ অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীগণের (অন্যথায় যাদের ভারতে ভ্রমণের জন্য ভিসা অর্জনের প্রয়োজন) অফিসিয়াল কাজের উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ- তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশন কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে।
(৩) জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিগণের অফিসিয়াল কাজের উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই নিজ নিজ অফিস কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে। কোথায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে? ভারতীয় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র, ঢাকা  (জেএফপি) জি - এক , দক্ষিণ কোর্ট, যমুনা ফিউচার পার্ক, প্রগতি শরণী, বারিধারা, ঢাকা -২২২9, বাংলাদেশ হটলাইন নম্বর: ০৯৬১২ ৩৩৩ ৬৬৬, ০৯৬১৪ ৩৩৩ ৬৬৬ ই-মেইল:info@ivacbd.com ওয়েবসাইট:www.ivacbd.com আবেদনপত্র গ্রহণের সময়: ০৮.০০-১৩.০০ ঘটিকা ভিসা প্রসেসিং ফি (আবেদনকারী জন প্রতি): ৬০০/- টাকা পাসপোর্ট ডেলিভারী (নির্দিষ্ট তারিখে): ১৫.৩০-১৮.৩০ ঘটিকা ছুটির দিন: ছুটির দিনের তালিকার জন্য এখানে ক্লিক করুন

ভিসা এবং নথির প্রকার

ভিসা এবং নথির প্রকার

ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি:
অনুগ্রহ করে লক্ষ্য করুন যে, নিন্মবলিখিত ডকুমেন্ট/ দলিলাদি সহকারে আপনার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে:
  • মূল পাসপোর্ট, ভিসার আবেদন দাখিল করার তারিখের আগে থেকে সর্বনিন্ম ৬ মাস মেয়াদী হতে হবে। পাসপোর্টে অন্তত: দু’টি সাদা পাতা থাকতে হবে। পাসপোর্টের অনুলিপি (দ্বিতীয় পৃষ্ঠা এবং তৃতীয় পৃষ্ঠা এবং বৈধতার মেয়াদ বাড়ানোর এসডোর্সমেন্ট, যদি থাকে) সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • একটি সদ্য তোলা (৩ মাসের বেশী পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি যেন পুরো মুখমন্ডল দেখা যায়।
  • আবাসস্থলের প্রমাণপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি।
  • পেশার প্রমাণপত্র : চাকুরীদাতার কাছ থেকে সনদ। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আইডি কার্ড এর অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবসরপ্রাপ্ত কাগজপত্র, বিজনেস ব্যক্তির বাণিজ্য সনদপত্র প্রয়োজন।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/ অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে।
  • অনলাইন ভিসা এপ্লিকেশন ফরম যেটাতে বিজিডি (BGDD) নিবন্ধন নং থাকবে।
  • আবেদনকারীকে অনলাইন এপ্লিকেশন ফরম এ দেয়া নির্ধারিত স্থানে তাদের ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
  • আবেদনকারীকে অবশ্যই নিশ্চিত থাকতে হবে যেন বর্তমান পাসপোর্টের জন্মতারিখ এবং জন্মস্থান এর সাথে পুরোনো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং/ অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্যের মিল থাকে।
  • সাক্ষাতের দিন আবেদনপত্রের সাথে অবশ্যই সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে; সব পুরোনো পাসপোর্ট ছাড়া আবেদনপত্র অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে।
  • বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে সব ধরণের ভারতীয় ভিসা, শুধুমাত্র ট্যুরিস্ট ভিসা (টি) ব্যতীত, কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ ই-টোকেন ছাড়াই ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হয়। কোথায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে |

ভিসার ধরণ :
বিজনেস/ ব্যবসায়িক ভিসা
মন্তব্য: ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে (কমার্শিয়াল/ ইকনোমিক/ট্রেড) ভারত গমনে ইচ্ছুক আবেদনকারীদেরকে জারি করা হয়।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি : আবেদনপত্রের পক্ষে, সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদির সাথে অতিরিক্ত যে ডকুমেন্ট/ দলিলাদি প্রয়োজন:
(১) বাংলাদেশে আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ের নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগের নম্বর;
(২) ভারত থেকে যে প্রতিষ্ঠান/ কোম্পানী স্পন্সর করছে, তার চিঠি;
(৩) বাংলাদেশের স্বীকৃত কোন চেম্বার অব কমার্স থেকে সুপারিশ চিঠি;
(৪) কোন ভারতীয় কোম্পানীর সাথে হয় শেষ ব্যবসায়িক লেনদেন এর ব্যাপারে, নতুবা ব্যবসায়িক লেনদেনের আবেদনপত্র (লেটার অফ ক্রেডিট);
(৫) টিন সহ ট্রেড লাইসেন্স এর একটি কপি;
(৬) সফরের উদ্দেশ্য এবং ব্যবসায়িক চুক্তির প্রকৃতি বর্ণনা করে সহায়ক পত্র (কভারিং লেটার);
(৭) আবেদনকারীর কোম্পানীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের);
(৮) আবেদনকারীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের);
(৯) কোন কোম্পানী বা প্রাইভেট ফার্মে কর্মরত থাকলে, কর্মসংস্থান চুক্তিপত্রের কপি যেটাতে আবেদনকারীর চুক্তিবদ্ধ হওয়ার তারিখ, অধিষ্ঠিত পদ এবং মাসিক বেতন উল্লেখ থাকবে |
(১০) ভারতে কোন বাণিজ্য / ব্যবসায় প্রদর্শনী/মেলায় অংশগ্রহণ করতে বা ঘুরতে গেলে, অংশগ্রহণের ধরণের বর্ণনা এবং ফেডারেশন/চেম্বার এর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অথবা প্রদর্শনী/মেলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পত্র। স্বল্পমেয়াদী একক সফর ভিসা
মন্তব্য: সাধারণত ভ্রমণ/ আত্মীয়দের সাথে সাক্ষাৎ/ তীর্থযাত্রা প্রভৃতির উদ্দেশ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করার সময় জারি করা হয়। এ ধরণের ভিসার অধীনে ভারতে প্রবেশের কাল ভিসা ইস্যু করার তারিখ থেকে
এক মাস মেয়াদী হয়।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি
দীর্ঘমেয়াদী ভ্রমণ ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) পেশা প্রমাণপত্র
৫) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: সেসব ব্যক্তিদেরকে এই ভিসা জারি করা হয় যাদের সন্তানেরা ভারতে পড়াশোনা করছে, তাদেরকে এবং ভারতে কর্মরত ব্যক্তিদের পরিজনদেরও অথবা অন্য যেকোন শ্রেণীর মানুষদের, যাদের দীর্ঘ সময় ব্যাপী ভারতে থাকা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে সমর্থিত কাগজপত্র (যথা- বিদ্যালয় থেকে চিঠি, ভারতে নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চিঠি, ইত্যাদি)
ট্রানজিট একক প্রবেশাধিকার ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) বাস টিকেট এবং হোটেল বুকিং নিশ্চিত করুন
৫) পেশা প্রমাণ
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: ভারতের ভেতর দিয়ে স্থলপথ/ জলপথ দিয়ে গমনকারী ব্যক্তিকে টিকিট উপস্থাপন ও তৃতীয় পক্ষীয়
দেশের বৈধ ভিসা সাপেক্ষে ট্রানজিট ভিসা জারি করা হয়।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে নিশ্চিত টিকিট ও তৃতীয় পক্ষীয় দেশের ভিসা।হোটেল বুকিং এর কপি দিতে হবে।
ট্রানজিট দ্বি-প্রবেশাধিকার ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) বাস টিকেট এবং হোটেল বুকিং নিশ্চিত করুন
৫) পেশা প্রমাণ
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: দ্বি-প্রবেশাধিকার ট্রানজিট ভিসা বিমানে ভ্রমণকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর জারি করা হয়, তাদের
অবস্থানের সময় ৭২ ঘন্টা অতিক্রম না করার চুক্তি সাপেক্ষে এবং তাদের অবশ্যই নিশ্চিত ফিরতি টিকেট রাখতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে নিশ্চিত টিকিট উপস্থাপন।হোটেল বুকিং এর কপি দিতে হবে।
মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে ভারত থেকে মেডিকেল আমন্ত্রণ পত্র
৫) সব ঔষধ মূল নথি
৬) পেশা প্রমাণ
৭) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গমনকারী ব্যক্তি।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি এবং
(১) স্বীকৃত হাসপাতাল/ ডাক্তার এর কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসাধীন অবস্থার বিশদ নির্দেশ সহকারে চিকিৎসার মূল সনদপত্র;
(২) প্রথম ভ্রমণের ক্ষেত্রে, বিদেশে চিকিৎসা সুবিধা উপভোগের জন্য উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ;
(৩) ভারতে অব্যাহতভাবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভারতের উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ;
(৪) হাসপাতালে ভর্তি বা দীর্ঘমেয়াদী
চিকিৎসার জন্য, আর্থিক সম্পদের প্রমাণ, যেমনটি প্রয়োজন হতে পারে: (ক) ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের), (খ) ব্যাংক থেকে সচ্ছলতার সনদ।
স্টুডেন্ট/শিক্ষার্থী ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদ ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) বোনাফাইড সার্টিফিকেট
৫) পেশা প্রমাণ
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: সম্ভাব্য শিক্ষার্থী।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতের কোন স্বীকৃতবিশ্ববিদ্যালয়/বোর্ড এর প্রতিষ্ঠান/কোর্সে ভর্তির প্রমাণপত্র; (২) অনুমোদিত ব্যাংক এর মাধ্যমে পিতা-মাতা/ অভিভাবকের কাছ থেকে অঙ্গীকারপত্র, এই মর্মে যে, আবেদনকারীর ভারতে পড়াশোনা করার মত যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান রয়েছে এবং পিতা-মাতা/ অভিভাবকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক পরিশোধ করবে।
রিসার্চ/ গবেষণা ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
4) ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
৫) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: আবেদনকারীকে গবেষণার ক্ষেত্রের পূর্ণ বিবরণী সহ, তার কাজ গ্রহণ করার জন্য ভারতে ভ্রমণের অন্তত: এক সপ্তাহ পূবের্, ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণ পত্র, ইত্যাদি।
কনফারেন্স/ সম্মেলন ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
৫) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: ভারতে ইভেন্ট/সেমিনার/ কনফারেন্স এ অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রিত ব্যক্তি।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতে সম্মেলনের আয়োজনকারীর পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র; এবং (২) বাংলাদেশে নিয়োগকর্তার তরফ থেকে চিঠি।
এমপ্লয়মেন্ট/ কর্মসংস্থান ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) ভারত থেকে আমন্ত্রণ চিঠি
৫) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৬)চুক্তি পত্র এবং কাজের প্রস্তাব পত্র
৭) নিয়োগকর্তার সমস্ত আইনি দলিল।
৮) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি:
সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি এবং
(১) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগপত্র;
(২) ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় নিয়োগকর্তার চিঠি;
(৩) ভারতে সাক্ষাৎকারের প্রামাণিক সাক্ষ্যপত্র;
(৪) ভারতে পদ সংক্রান্ত প্রেস প্রজ্ঞাপন;
(৫) ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক;
(৬) কর্মসংস্থান ভিসা নিয়ে ভারতে গমনকারী ব্যক্তির নিকটবর্তী এফ আর আর ও -তে নিবন্ধন করা প্রয়োজন।
ট্রেইনিং/ প্রশিক্ষণ ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
2) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
৬) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৭) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: ভারতে বিভিনড়ব প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করার জন্য।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: প্রশিক্ষণ ভিসার জন্য আবেদনকারী ব্যক্তি “সাধারণ শর্তের” অধীনে ডকুমেন্ট/ দলিলাদির সাথে অতিরিক্ত যা দাখিল করবে: ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত চিঠির কপি, ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের চিঠি, ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক।
মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য

১) জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) সর্বশেষ ইউটিলিটি বিল অনুলিপি
৩) ব্যাংক বিবৃতি / ডলার সমর্থন / সক্রিয় আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড
৪) পেশা প্রমাণ
৫) মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট - মূল ও ফটোকপি উভয়ই
৬) মুক্তিযুদ্ধ গ্যাজেট কপি।
৭) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সমস্ত পুরাতন পাসপোর্ট

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি:

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি:

সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি এবং
(১) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগপত্র;
(২) ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় নিয়োগকর্তার চিঠি;
(৩) ভারতে সাক্ষাৎকারের প্রামাণিক সাক্ষ্যপত্র;
(৪) ভারতে পদ সংক্রান্ত প্রেস প্রজ্ঞাপন;
(৫) ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক;
(৬) কর্মসংস্থান ভিসা নিয়ে ভারতে গমনকারী ব্যক্তির নিকটবর্তী এফ আর আর ও -তে নিবন্ধন করা প্রয়োজন।
ট্রেইনিং/ প্রশিক্ষণ ভিসা
১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
2) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
৬) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৭) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: ভারতে বিভিনড়ব প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করার জন্য।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: প্রশিক্ষণ ভিসার জন্য আবেদনকারী ব্যক্তি “সাধারণ শর্তের” অধীনে ডকুমেন্ট/ দলিলাদির সাথে অতিরিক্ত যা দাখিল করবে: ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত চিঠির কপি, ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের চিঠি, ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক।
মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য

১) জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) সর্বশেষ ইউটিলিটি বিল অনুলিপি
৩) ব্যাংক বিবৃতি / ডলার সমর্থন / সক্রিয় আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড
৪) পেশা প্রমাণ
৫) মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট - মূল ও ফটোকপি উভয়ই
৬) মুক্তিযুদ্ধ গ্যাজেট কপি।
৭) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সমস্ত পুরাতন পাসপোর্ট

ভিসার ধরণ :এমপ্লয়মেন্ট/ কর্মসংস্থান ভিসা

ভিসার ধরণ :এমপ্লয়মেন্ট/ কর্মসংস্থান ভিসা

১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) ভারত থেকে আমন্ত্রণ চিঠি
৫) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৬)চুক্তি পত্র এবং কাজের প্রস্তাব পত্র
৭) নিয়োগকর্তার সমস্ত আইনি দলিল।
৮) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

ভিসার ধরণ :কনফারেন্স/ সম্মেলন ভিসা

ভিসার ধরণ :কনফারেন্স/ সম্মেলন ভিসা

১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
৫) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: ভারতে ইভেন্ট/সেমিনার/ কনফারেন্স এ অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রিত ব্যক্তি।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতে সম্মেলনের আয়োজনকারীর পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র; এবং (২) বাংলাদেশে নিয়োগকর্তার তরফ থেকে চিঠি।

ভিসার ধরণ :রিসার্চ/ গবেষণা ভিসা

ভিসার ধরণ :রিসার্চ/ গবেষণা ভিসা

১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
4) ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
৫) পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: আবেদনকারীকে গবেষণার ক্ষেত্রের পূর্ণ বিবরণী সহ, তার কাজ গ্রহণ করার জন্য ভারতে ভ্রমণের অন্তত: এক সপ্তাহ পূবের্, ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণ পত্র, ইত্যাদি।

ভিসার ধরণ :স্টুডেন্ট/শিক্ষার্থী ভিসা

ভিসার ধরণ :স্টুডেন্ট/শিক্ষার্থী ভিসা

১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদ ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) বোনাফাইড সার্টিফিকেট
৫) পেশা প্রমাণ
৬) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: সম্ভাব্য শিক্ষার্থী।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতের কোন স্বীকৃতবিশ্ববিদ্যালয়/বোর্ড এর প্রতিষ্ঠান/কোর্সে ভর্তির প্রমাণপত্র; (২) অনুমোদিত ব্যাংক এর মাধ্যমে পিতা-মাতা/ অভিভাবকের কাছ থেকে অঙ্গীকারপত্র, এই মর্মে যে, আবেদনকারীর ভারতে পড়াশোনা করার মত যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান রয়েছে এবং পিতা-মাতা/ অভিভাবকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক পরিশোধ করবে।

ভিসার ধরণ :মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা

ভিসার ধরণ :মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা

১)জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
২) ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
৩) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
৪) নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে ভারত থেকে মেডিকেল আমন্ত্রণ পত্র
৫) সব ঔষধ মূল নথি
৬) পেশা প্রমাণ
৭) শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
মন্তব্য: ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গমনকারী ব্যক্তি।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি এবং
(১) স্বীকৃত হাসপাতাল/ ডাক্তার এর কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসাধীন অবস্থার বিশদ নির্দেশ সহকারে চিকিৎসার মূল সনদপত্র;
(২) প্রথম ভ্রমণের ক্ষেত্রে, বিদেশে চিকিৎসা সুবিধা উপভোগের জন্য উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ;
(৩) ভারতে অব্যাহতভাবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভারতের উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ;
(৪) হাসপাতালে ভর্তি বা দীর্ঘমেয়াদী
চিকিৎসার জন্য, আর্থিক সম্পদের প্রমাণ, যেমনটি প্রয়োজন হতে পারে: (ক) ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের), (খ) ব্যাংক থেকে সচ্ছলতার সনদ।